ঢাকা ০৫:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ভোলায় জমি বিরোধে শিক্ষককে হামলা ও অপপ্রচারের অভিযোগ, নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী শিক্ষক রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলকে মনোনয়ন দিচ্ছে বিএনপি লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে পেটের ক্ষুধায় ইউএনও অফিসের সামনে দিনমজুরদের আহাজারি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির দুই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ জামায়াত জোটের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী কর্নেল অলি আহমদ নতুন ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী তালতলীতে উদ্বোধনের একদিন পরই আগুনে পুড়ল দোকান, সাড়ে ৩ লাখ টাকার ক্ষতি মহেশখালীতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৪০৪ শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ সংগঠন সক্রিয় করার অভিযোগ আইসিইউতে হাতকড়া পরে ভাইরাল হওয়া আ.লীগ নেতা মনির খানের মৃত্যু

গৌরীপুরের সহনাটীতে গ্রাম আদালতের সেবা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে বার্ষিক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ তৃতীয় পর্যায় প্রকল্প স্থানীয় সরকার বিভাপ স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এর উদ্যোগে সারা বাংলাদেশের ন্যায় ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার সহনাটী ইউনিয়ন পরিষদে গ্রাম আদালতের সেবা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গতকাল বৃহস্পতিবার (১৭ জুন ২০২৬) ১২:০০ ঘটিকার সময় বার্ষিক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সহনাটী ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ ছামছুজ্জামান তিনি বলেন, গ্রাম আদালত সেবা সম্পর্কে প্রান্তিক জন গোষ্ঠী আজও সচেতন নয়,অল্প সময় স্বল্প খরচে সঠিক বিচার পেতে গ্রাম আদালতের বিকল্প নেই।

আরও পড়ুনঃ  তালতলীতে উদ্বোধনের একদিন পরই আগুনে পুড়ল দোকান, সাড়ে ৩ লাখ টাকার ক্ষতি

গ্রাম আদালত হলো বাংলাদেশের ইউনিয়ন পরিষদের অধীনে পরিচালিত একটি স্থানীয় আদালত, যা গ্রামাঞ্চলের ছোট ছোট দেওয়ানী ও ফৌজদারী মামলা নিষ্পত্তির জন্য গঠিত হয়। এটি দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য সহজে ও কম খরচে ন্যায়বিচার লাভের একটি সুযোগ সৃষ্টি করে।

১৯৭৬ সালে গ্রাম আদালত অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে এ ব্যবস্থা চালু হয়। এরপর গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ এবং গ্রাম আদালত বিধিমালা, ২০১৬ প্রণয়নের মাধ্যমে এ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা হয়। আইনটি ২০১৩ সালে প্রথম এবং ২০২৪ সালে দ্বিতীয়বার সংশোধন করা হয়। গ্রাম আদালতে উদ্দেশ্য স্থানীয়ভাবে বিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থাকে অধিকতর স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য করা।

আরও পড়ুনঃ  ৪০৪ শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ সংগঠন সক্রিয় করার অভিযোগ

এসময় উপজেলা কো-অর্ডিনেটর মোঃ জিয়াউর ইসলাম গ্রাম আদালতের ধারণাগুলো সুস্পষ্ট ভাবে তুলে ধরে সচেতনা মূলক দিক নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, “গ্রাম আদালতের মাধ্যমে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত ফৌজদারি ও দেওয়ানি মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি সম্ভব। এটি গ্রামের সাধারণ মানুষের জন্য সহজ, সাশ্রয়ী ও কার্যকর একটি বিচার ব্যবস্থা । সকলের উচিত এই সেবার সুযোগ গ্রহণ করে আইনি জটিলতা দ্রুত সমাধান করা।”

আরও পড়ুনঃ  নতুন ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের সকল ইউ পি সদস্য গন, হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর, পাচার বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, গ্রাম পুলিশ বৃন্দ সহ এলাকার সর্বস্তরের জনগণ।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

ভোলায় জমি বিরোধে শিক্ষককে হামলা ও অপপ্রচারের অভিযোগ, নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী শিক্ষক

গৌরীপুরের সহনাটীতে গ্রাম আদালতের সেবা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে বার্ষিক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

আপডেটের সময়: ১০:৫২:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ তৃতীয় পর্যায় প্রকল্প স্থানীয় সরকার বিভাপ স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এর উদ্যোগে সারা বাংলাদেশের ন্যায় ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার সহনাটী ইউনিয়ন পরিষদে গ্রাম আদালতের সেবা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গতকাল বৃহস্পতিবার (১৭ জুন ২০২৬) ১২:০০ ঘটিকার সময় বার্ষিক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সহনাটী ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ ছামছুজ্জামান তিনি বলেন, গ্রাম আদালত সেবা সম্পর্কে প্রান্তিক জন গোষ্ঠী আজও সচেতন নয়,অল্প সময় স্বল্প খরচে সঠিক বিচার পেতে গ্রাম আদালতের বিকল্প নেই।

আরও পড়ুনঃ  ভোলায় জমি বিরোধে শিক্ষককে হামলা ও অপপ্রচারের অভিযোগ, নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী শিক্ষক

গ্রাম আদালত হলো বাংলাদেশের ইউনিয়ন পরিষদের অধীনে পরিচালিত একটি স্থানীয় আদালত, যা গ্রামাঞ্চলের ছোট ছোট দেওয়ানী ও ফৌজদারী মামলা নিষ্পত্তির জন্য গঠিত হয়। এটি দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য সহজে ও কম খরচে ন্যায়বিচার লাভের একটি সুযোগ সৃষ্টি করে।

১৯৭৬ সালে গ্রাম আদালত অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে এ ব্যবস্থা চালু হয়। এরপর গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ এবং গ্রাম আদালত বিধিমালা, ২০১৬ প্রণয়নের মাধ্যমে এ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা হয়। আইনটি ২০১৩ সালে প্রথম এবং ২০২৪ সালে দ্বিতীয়বার সংশোধন করা হয়। গ্রাম আদালতে উদ্দেশ্য স্থানীয়ভাবে বিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থাকে অধিকতর স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য করা।

আরও পড়ুনঃ  তালতলীতে উদ্বোধনের একদিন পরই আগুনে পুড়ল দোকান, সাড়ে ৩ লাখ টাকার ক্ষতি

এসময় উপজেলা কো-অর্ডিনেটর মোঃ জিয়াউর ইসলাম গ্রাম আদালতের ধারণাগুলো সুস্পষ্ট ভাবে তুলে ধরে সচেতনা মূলক দিক নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, “গ্রাম আদালতের মাধ্যমে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত ফৌজদারি ও দেওয়ানি মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি সম্ভব। এটি গ্রামের সাধারণ মানুষের জন্য সহজ, সাশ্রয়ী ও কার্যকর একটি বিচার ব্যবস্থা । সকলের উচিত এই সেবার সুযোগ গ্রহণ করে আইনি জটিলতা দ্রুত সমাধান করা।”

আরও পড়ুনঃ  আইসিইউতে হাতকড়া পরে ভাইরাল হওয়া আ.লীগ নেতা মনির খানের মৃত্যু

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের সকল ইউ পি সদস্য গন, হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর, পাচার বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, গ্রাম পুলিশ বৃন্দ সহ এলাকার সর্বস্তরের জনগণ।