ঢাকা ০৮:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সাত মাসে বিদেশে গেছেন ৪ লাখের বেশি বাংলাদেশি, রেমিট্যান্স ২৪.৭৫ বিলিয়ন ডলার নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা নয়, ট্রাম্পের নতুন ঘোষণা ফসলি জমিতে ১৫ বছরের কিশোরীর মরদেহ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রপ্তানি কমলেও চীন-ভারতের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ মাল্টা ৪০০–৫০০ টাকায় বিক্রি হওয়া গ্রহণযোগ্য নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে তিন শতাংশেরও বেশি ১৪ লাখ টন জ্বালানি তেল কিনবে সরকার, ক্রয় কমিটিতে আরও ৯ প্রস্তাব অনুমোদন সুনামগঞ্জে মসজিদের মাইকে ডেকে লোক জড়ো, পুলিশের সামনে চার গ্রামের বাসিন্দাদের সংঘর্ষ শ্রীলঙ্কার সাবেক ফার্স্ট লেডি গ্রেপ্তার লিটারে ১৭ টাকা বেড়েছে জেট ফুয়েলের দাম

গৌরীপুরের সহনাটীতে গ্রাম আদালতের সেবা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে বার্ষিক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ তৃতীয় পর্যায় প্রকল্প স্থানীয় সরকার বিভাপ স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এর উদ্যোগে সারা বাংলাদেশের ন্যায় ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার সহনাটী ইউনিয়ন পরিষদে গ্রাম আদালতের সেবা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গতকাল বৃহস্পতিবার (১৭ জুন ২০২৬) ১২:০০ ঘটিকার সময় বার্ষিক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সহনাটী ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ ছামছুজ্জামান তিনি বলেন, গ্রাম আদালত সেবা সম্পর্কে প্রান্তিক জন গোষ্ঠী আজও সচেতন নয়,অল্প সময় স্বল্প খরচে সঠিক বিচার পেতে গ্রাম আদালতের বিকল্প নেই।

আরও পড়ুনঃ  শ্রীলঙ্কার সাবেক ফার্স্ট লেডি গ্রেপ্তার

গ্রাম আদালত হলো বাংলাদেশের ইউনিয়ন পরিষদের অধীনে পরিচালিত একটি স্থানীয় আদালত, যা গ্রামাঞ্চলের ছোট ছোট দেওয়ানী ও ফৌজদারী মামলা নিষ্পত্তির জন্য গঠিত হয়। এটি দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য সহজে ও কম খরচে ন্যায়বিচার লাভের একটি সুযোগ সৃষ্টি করে।

১৯৭৬ সালে গ্রাম আদালত অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে এ ব্যবস্থা চালু হয়। এরপর গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ এবং গ্রাম আদালত বিধিমালা, ২০১৬ প্রণয়নের মাধ্যমে এ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা হয়। আইনটি ২০১৩ সালে প্রথম এবং ২০২৪ সালে দ্বিতীয়বার সংশোধন করা হয়। গ্রাম আদালতে উদ্দেশ্য স্থানীয়ভাবে বিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থাকে অধিকতর স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য করা।

আরও পড়ুনঃ  সাত মাসে বিদেশে গেছেন ৪ লাখের বেশি বাংলাদেশি, রেমিট্যান্স ২৪.৭৫ বিলিয়ন ডলার

এসময় উপজেলা কো-অর্ডিনেটর মোঃ জিয়াউর ইসলাম গ্রাম আদালতের ধারণাগুলো সুস্পষ্ট ভাবে তুলে ধরে সচেতনা মূলক দিক নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, “গ্রাম আদালতের মাধ্যমে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত ফৌজদারি ও দেওয়ানি মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি সম্ভব। এটি গ্রামের সাধারণ মানুষের জন্য সহজ, সাশ্রয়ী ও কার্যকর একটি বিচার ব্যবস্থা । সকলের উচিত এই সেবার সুযোগ গ্রহণ করে আইনি জটিলতা দ্রুত সমাধান করা।”

আরও পড়ুনঃ  বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে তিন শতাংশেরও বেশি

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের সকল ইউ পি সদস্য গন, হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর, পাচার বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, গ্রাম পুলিশ বৃন্দ সহ এলাকার সর্বস্তরের জনগণ।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

সাত মাসে বিদেশে গেছেন ৪ লাখের বেশি বাংলাদেশি, রেমিট্যান্স ২৪.৭৫ বিলিয়ন ডলার

গৌরীপুরের সহনাটীতে গ্রাম আদালতের সেবা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে বার্ষিক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

আপডেটের সময়: ১০:৫২:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ তৃতীয় পর্যায় প্রকল্প স্থানীয় সরকার বিভাপ স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এর উদ্যোগে সারা বাংলাদেশের ন্যায় ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার সহনাটী ইউনিয়ন পরিষদে গ্রাম আদালতের সেবা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গতকাল বৃহস্পতিবার (১৭ জুন ২০২৬) ১২:০০ ঘটিকার সময় বার্ষিক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সহনাটী ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ ছামছুজ্জামান তিনি বলেন, গ্রাম আদালত সেবা সম্পর্কে প্রান্তিক জন গোষ্ঠী আজও সচেতন নয়,অল্প সময় স্বল্প খরচে সঠিক বিচার পেতে গ্রাম আদালতের বিকল্প নেই।

আরও পড়ুনঃ  নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা নয়, ট্রাম্পের নতুন ঘোষণা

গ্রাম আদালত হলো বাংলাদেশের ইউনিয়ন পরিষদের অধীনে পরিচালিত একটি স্থানীয় আদালত, যা গ্রামাঞ্চলের ছোট ছোট দেওয়ানী ও ফৌজদারী মামলা নিষ্পত্তির জন্য গঠিত হয়। এটি দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য সহজে ও কম খরচে ন্যায়বিচার লাভের একটি সুযোগ সৃষ্টি করে।

১৯৭৬ সালে গ্রাম আদালত অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে এ ব্যবস্থা চালু হয়। এরপর গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ এবং গ্রাম আদালত বিধিমালা, ২০১৬ প্রণয়নের মাধ্যমে এ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা হয়। আইনটি ২০১৩ সালে প্রথম এবং ২০২৪ সালে দ্বিতীয়বার সংশোধন করা হয়। গ্রাম আদালতে উদ্দেশ্য স্থানীয়ভাবে বিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থাকে অধিকতর স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য করা।

আরও পড়ুনঃ  ১৪ লাখ টন জ্বালানি তেল কিনবে সরকার, ক্রয় কমিটিতে আরও ৯ প্রস্তাব অনুমোদন

এসময় উপজেলা কো-অর্ডিনেটর মোঃ জিয়াউর ইসলাম গ্রাম আদালতের ধারণাগুলো সুস্পষ্ট ভাবে তুলে ধরে সচেতনা মূলক দিক নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, “গ্রাম আদালতের মাধ্যমে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত ফৌজদারি ও দেওয়ানি মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি সম্ভব। এটি গ্রামের সাধারণ মানুষের জন্য সহজ, সাশ্রয়ী ও কার্যকর একটি বিচার ব্যবস্থা । সকলের উচিত এই সেবার সুযোগ গ্রহণ করে আইনি জটিলতা দ্রুত সমাধান করা।”

আরও পড়ুনঃ  ফসলি জমিতে ১৫ বছরের কিশোরীর মরদেহ

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের সকল ইউ পি সদস্য গন, হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর, পাচার বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, গ্রাম পুলিশ বৃন্দ সহ এলাকার সর্বস্তরের জনগণ।