ঢাকা ০৩:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সাত মাসে বিদেশে গেছেন ৪ লাখের বেশি বাংলাদেশি, রেমিট্যান্স ২৪.৭৫ বিলিয়ন ডলার নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা নয়, ট্রাম্পের নতুন ঘোষণা ফসলি জমিতে ১৫ বছরের কিশোরীর মরদেহ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রপ্তানি কমলেও চীন-ভারতের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ মাল্টা ৪০০–৫০০ টাকায় বিক্রি হওয়া গ্রহণযোগ্য নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে তিন শতাংশেরও বেশি ১৪ লাখ টন জ্বালানি তেল কিনবে সরকার, ক্রয় কমিটিতে আরও ৯ প্রস্তাব অনুমোদন সুনামগঞ্জে মসজিদের মাইকে ডেকে লোক জড়ো, পুলিশের সামনে চার গ্রামের বাসিন্দাদের সংঘর্ষ শ্রীলঙ্কার সাবেক ফার্স্ট লেডি গ্রেপ্তার লিটারে ১৭ টাকা বেড়েছে জেট ফুয়েলের দাম

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রপ্তানি কমলেও চীন-ভারতের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেটের সময়: ০৮:২৬:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫ সময় দেখুন

চলতি ২০২৬ সালের প্রথম আট মাসে (জানুয়ারি-আগস্ট) একক প্রধান বাজার যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি কিছুটা কমলেও, প্রধান প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় এই পতনের হার বেশ কম। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল (ওটেক্সা)-এর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে সামগ্রিক পোশাক আমদানি ৭ দশমিক ৪২ শতাংশ কমেছে।

এর মধ্যে বাংলাদেশ থেকে পোশাক আমদানি ৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ কমে ৫৩৯ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবে একই সময়ে চীনের পোশাক রপ্তানি ২৯ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং ভারতের ২৬ দশমিক ৪৪ শতাংশ কমেছে, যা বাংলাদেশের তুলনায় অনেক বেশি।

আরও পড়ুনঃ  মাল্টা ৪০০–৫০০ টাকায় বিক্রি হওয়া গ্রহণযোগ্য নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী

পরিমাণ ও দামের দিক থেকেও বাংলাদেশ তুলনামূলক ভালো অবস্থানে রয়েছে। আলোচ্য সময়ে বাংলাদেশ থেকে পোশাক আমদানির পরিমাণ কমেছে ২ দশমিক ৭৫ শতাংশ এবং গড় একক মূল্য কমেছে ১ দশমিক ৭৩ শতাংশ। অন্যদিকে, চীনের আমদানির পরিমাণ কমেছে ২১ দশমিক ৬১ শতাংশ এবং দাম কমেছে ৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ। সামগ্রিক বাজারে এই মন্দার মাঝেও বাংলাদেশের তুলনামূলক কম পতনকে ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখছেন ব্যবসায়ীরা।

আরও পড়ুনঃ  সাত মাসে বিদেশে গেছেন ৪ লাখের বেশি বাংলাদেশি, রেমিট্যান্স ২৪.৭৫ বিলিয়ন ডলার

বিজিএমইএ-এর সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল জানান, চীনের মতো প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের সঙ্গে শুল্কের বড় ব্যবধান থাকায় বাংলাদেশ মার্কিন ক্রেতাদের কাছে সোর্সিংয়ের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাচ্ছে। তিনি এই বাজারে অবস্থান আরও জোরালো করতে উচ্চমূল্যের ও কৃত্রিম তন্তুর (ম্যান-মেড ফাইবার) পোশাক উৎপাদন বাড়ানোর পরামর্শ দেন।

আট মাসের সামগ্রিক হিসাবে পতন দেখা গেলেও, শুধু আগস্ট মাসে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে আশাব্যঞ্জক উল্লম্ফন ঘটেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)-এর তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে এই রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ বেড়ে ৮১ দশমিক ৭ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে। এছাড়া, জুলাই-আগস্ট এই দুই মাস মিলে যুক্তরাষ্ট্রে মোট পোশাক রপ্তানি দাঁড়িয়েছে ১৬১ কোটি ডলারে, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ১১ দশমিক ৪২ শতাংশ বেশি।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

সাত মাসে বিদেশে গেছেন ৪ লাখের বেশি বাংলাদেশি, রেমিট্যান্স ২৪.৭৫ বিলিয়ন ডলার

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রপ্তানি কমলেও চীন-ভারতের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

আপডেটের সময়: ০৮:২৬:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

চলতি ২০২৬ সালের প্রথম আট মাসে (জানুয়ারি-আগস্ট) একক প্রধান বাজার যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি কিছুটা কমলেও, প্রধান প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় এই পতনের হার বেশ কম। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল (ওটেক্সা)-এর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে সামগ্রিক পোশাক আমদানি ৭ দশমিক ৪২ শতাংশ কমেছে।

এর মধ্যে বাংলাদেশ থেকে পোশাক আমদানি ৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ কমে ৫৩৯ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবে একই সময়ে চীনের পোশাক রপ্তানি ২৯ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং ভারতের ২৬ দশমিক ৪৪ শতাংশ কমেছে, যা বাংলাদেশের তুলনায় অনেক বেশি।

আরও পড়ুনঃ  ১৪ লাখ টন জ্বালানি তেল কিনবে সরকার, ক্রয় কমিটিতে আরও ৯ প্রস্তাব অনুমোদন

পরিমাণ ও দামের দিক থেকেও বাংলাদেশ তুলনামূলক ভালো অবস্থানে রয়েছে। আলোচ্য সময়ে বাংলাদেশ থেকে পোশাক আমদানির পরিমাণ কমেছে ২ দশমিক ৭৫ শতাংশ এবং গড় একক মূল্য কমেছে ১ দশমিক ৭৩ শতাংশ। অন্যদিকে, চীনের আমদানির পরিমাণ কমেছে ২১ দশমিক ৬১ শতাংশ এবং দাম কমেছে ৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ। সামগ্রিক বাজারে এই মন্দার মাঝেও বাংলাদেশের তুলনামূলক কম পতনকে ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখছেন ব্যবসায়ীরা।

আরও পড়ুনঃ  ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আটজনের মৃত্যু

বিজিএমইএ-এর সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল জানান, চীনের মতো প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের সঙ্গে শুল্কের বড় ব্যবধান থাকায় বাংলাদেশ মার্কিন ক্রেতাদের কাছে সোর্সিংয়ের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাচ্ছে। তিনি এই বাজারে অবস্থান আরও জোরালো করতে উচ্চমূল্যের ও কৃত্রিম তন্তুর (ম্যান-মেড ফাইবার) পোশাক উৎপাদন বাড়ানোর পরামর্শ দেন।

আট মাসের সামগ্রিক হিসাবে পতন দেখা গেলেও, শুধু আগস্ট মাসে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে আশাব্যঞ্জক উল্লম্ফন ঘটেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)-এর তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে এই রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ বেড়ে ৮১ দশমিক ৭ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে। এছাড়া, জুলাই-আগস্ট এই দুই মাস মিলে যুক্তরাষ্ট্রে মোট পোশাক রপ্তানি দাঁড়িয়েছে ১৬১ কোটি ডলারে, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ১১ দশমিক ৪২ শতাংশ বেশি।