ঢাকা ০৪:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
স্থানীয় ভোটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ‘পুরোপুরি প্রস্তুত নয়’ রবীন্দ্রনাথের ছবি মোছার চেষ্টা: চারজনকে রিমান্ড দিয়েছে আদালত বিএনপির সংসদীয় দলের সভা ডাকলেন তারেক রহমান খুলনায় পুলিশ সদস্যদের রাতে একা চলাচল না করার নির্দেশ রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে কালি দিতে গিয়ে আটক ৪ রাশিয়ার ডিজেল আমদানির ঘোষণা ট্রাম্পের, পুতিনের জন্য ‘উপহার’ বললেন জেলেনস্কি উত্তপ্ত দিল্লি, চার সাবেক মুখ্যমন্ত্রীসহ আটক প্রায় ৫ হাজার ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন: গভর্নর সাত মাসে বিদেশে গেছেন ৪ লাখের বেশি বাংলাদেশি, রেমিট্যান্স ২৪.৭৫ বিলিয়ন ডলার নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা নয়, ট্রাম্পের নতুন ঘোষণা

তালতলীতে সরকারি স্কুলে প্রধান শিক্ষকের বসবাস ও অতিরিক্ত সেশন ফি আদায়ের অভিযোগ

বরগুনার তালতলী উপজেলার আলীর বন্দর এ.এম. মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জামাল হোসেনের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের সরকারি ভবনে ব্যক্তিগতভাবে রান্না ও বসবাসের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সেশন ফির নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ করেছেন একাধিক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরকারি অর্থায়নে নির্মিত বিদ্যালয় ভবন মূলত পাঠদান ও শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্দিষ্ট থাকলেও প্রধান শিক্ষক মো. জামাল হোসেন নিয়মবহির্ভূতভাবে সেখানে থাকছেন ও রান্নাবান্না করছেন। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবন এভাবে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার সরকারি সম্পদের নির্ধারিত উদ্দেশ্যের পরিপন্থী।

আরও পড়ুনঃ  স্থানীয় ভোটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ‘পুরোপুরি প্রস্তুত নয়’

এদিকে, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সেশন ফির নামে জনপ্রতি ১,৩৫০ টাকা করে আদায় করার অভিযোগ উঠেছে। এই অর্থ আদায়ের পেছনে সংশ্লিষ্ট কোনো নীতিমালা বা অনুমোদন নেই বলে অভিযোগ রয়েছে, যা নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মো. জামাল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে সাংবাদিকদের বলেন:

আরও পড়ুনঃ  বিএনপির সংসদীয় দলের সভা ডাকলেন তারেক রহমান

“আমি সাংবাদিকদের কাছে কোনো কৈফিয়ত দেব না। যেখানে দেওয়ার দরকার সেখানে দেব। আর স্কুলে রান্নাবান্নার ব্যাপারে আপনার কী মনে হয়, আমি অফিসের অনুমতি ছাড়া রান্না করছি?”

এ বিষয়ে তালতলী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি তাদেরকে স্কুলে রান্নাবান্না করে খেতে বলিনি।” তবে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত বা অন্য কোনো বিষয়ে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি।

পরবর্তীতে বিষয়টি জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকেও অবহিত করা হলেও, সংবাদ লেখা পর্যন্ত অভিযোগ তদন্তে প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি।

আরও পড়ুনঃ  নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা নয়, ট্রাম্পের নতুন ঘোষণা

সরকারি বিদ্যালয়ের ভবন ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করায় শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। এছাড়া সেশন ফির নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের জবাবদিহি নিশ্চিত করারও দাবি তুলেছেন তারা। এলাকার সচেতন নাগরিকরা এই অভিযোগগুলোর দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সত্যতা প্রমাণিত হলে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন ও সরকারি বিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

স্থানীয় ভোটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ‘পুরোপুরি প্রস্তুত নয়’

তালতলীতে সরকারি স্কুলে প্রধান শিক্ষকের বসবাস ও অতিরিক্ত সেশন ফি আদায়ের অভিযোগ

আপডেটের সময়: ১০:৫৭:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

বরগুনার তালতলী উপজেলার আলীর বন্দর এ.এম. মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জামাল হোসেনের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের সরকারি ভবনে ব্যক্তিগতভাবে রান্না ও বসবাসের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সেশন ফির নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ করেছেন একাধিক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরকারি অর্থায়নে নির্মিত বিদ্যালয় ভবন মূলত পাঠদান ও শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্দিষ্ট থাকলেও প্রধান শিক্ষক মো. জামাল হোসেন নিয়মবহির্ভূতভাবে সেখানে থাকছেন ও রান্নাবান্না করছেন। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবন এভাবে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার সরকারি সম্পদের নির্ধারিত উদ্দেশ্যের পরিপন্থী।

আরও পড়ুনঃ  সাত মাসে বিদেশে গেছেন ৪ লাখের বেশি বাংলাদেশি, রেমিট্যান্স ২৪.৭৫ বিলিয়ন ডলার

এদিকে, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সেশন ফির নামে জনপ্রতি ১,৩৫০ টাকা করে আদায় করার অভিযোগ উঠেছে। এই অর্থ আদায়ের পেছনে সংশ্লিষ্ট কোনো নীতিমালা বা অনুমোদন নেই বলে অভিযোগ রয়েছে, যা নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মো. জামাল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে সাংবাদিকদের বলেন:

আরও পড়ুনঃ  খুলনায় পুলিশ সদস্যদের রাতে একা চলাচল না করার নির্দেশ

“আমি সাংবাদিকদের কাছে কোনো কৈফিয়ত দেব না। যেখানে দেওয়ার দরকার সেখানে দেব। আর স্কুলে রান্নাবান্নার ব্যাপারে আপনার কী মনে হয়, আমি অফিসের অনুমতি ছাড়া রান্না করছি?”

এ বিষয়ে তালতলী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি তাদেরকে স্কুলে রান্নাবান্না করে খেতে বলিনি।” তবে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত বা অন্য কোনো বিষয়ে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি।

পরবর্তীতে বিষয়টি জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকেও অবহিত করা হলেও, সংবাদ লেখা পর্যন্ত অভিযোগ তদন্তে প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি।

আরও পড়ুনঃ  উত্তপ্ত দিল্লি, চার সাবেক মুখ্যমন্ত্রীসহ আটক প্রায় ৫ হাজার

সরকারি বিদ্যালয়ের ভবন ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করায় শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। এছাড়া সেশন ফির নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের জবাবদিহি নিশ্চিত করারও দাবি তুলেছেন তারা। এলাকার সচেতন নাগরিকরা এই অভিযোগগুলোর দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সত্যতা প্রমাণিত হলে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন ও সরকারি বিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।